বিশ্বকাপের
মঞ্চে দুর্দান্ত লড়াই উপহার দিলেও জয় ছিনিয়ে আনতে
পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে গেলেও নিগার সুলতানা জ্যোতির দল রেখে গেছে
আশার আলো। ইংল্যান্ড ২৩ বল হাতে
রেখে ও ৪ উইকেট
বাকি থাকতে ম্যাচটি জিতে নেয়।
প্রথমে
ব্যাট করে ১৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ইনিংসের
শুরুতেই ওপেনার রুবেয়া হায়দার দ্রুত আউট হলে চাপ পড়ে দলের ওপর। এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানাও শূন্য রানে আউট হয়ে ফেরেন। তবে সোবহানা মোস্তারির দারুণ ব্যাটিং দলকে বিপদ থেকে টেনে তোলে। তিনি ৬০ রানের ইনিংস
খেলে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন।
ইনিংসের
শেষ দিকে রাবেয়া খান ঝড়ো ব্যাটিং করে রান বাড়ান। মাত্র ২৭ বলে ৪৩
রানের ঝোড়ো ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা
হাঁকান তিনি। আট, নয় ও দশ
নম্বরে ব্যাট করতে নেমে এর আগে বাংলাদেশের
কোনো ব্যাটারের এত উচ্চ স্ট্রাইক
রেটে (১৫৯.২৫) ইনিংস খেলার রেকর্ড নেই। তার এই ইনিংসেই লড়াই
করার মতো রান পায় বাংলাদেশ।
ইংল্যান্ডের
বোলারদের মধ্যে সোফি এক্লেস্টোন নেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। লিনসি
স্মিথ, চার্লি ডিন ও এলিস ক্যাপসি
প্রত্যেকে পান দুটি করে উইকেট।
১৭৯
রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। প্রথম ওভারেই মারুফা আক্তার ফেরান অ্যামি জোন্সকে। একই ওভারে হেথার নাইটের বিপক্ষে করা এলবিডব্লিউর আবেদনটি ডিআরএসে উল্টে গেলে কিছুটা হতাশা দেখা দেয় বাংলাদেশ শিবিরে।
তবে
শূন্য রানে জীবন পাওয়া হেথার নাইটই পরে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১১১ বল খেলে ৭৯
রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। তার পাশে থেকে কিছুটা সময় ব্যাট করেন ন্যাট সাইভার-ব্রান্ট (৩২) এবং শেষদিকে অপরাজিত ২৭ রান করে
শার্লট ডিন দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান।
বাংলাদেশের
হয়ে ফাহিমা খাতুন ৩টি, মারুফা আক্তার ২টি ও সানজিদা আক্তার
মেঘলা ১টি উইকেট নেন।
যদিও
ম্যাচের ফলাফল হতাশার, তবুও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করে হারায় নিগার সুলতানাদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। এমন পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের জন্য দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাবে।
খবর
এবং ছবি: সংগৃহীত



0 মন্তব্যসমূহ